1. selimsavar@gmail.com : khobar24 :

ধামরাইয়ে নির্বাচনী পরবর্তি সহিংসতায় নিহত ২

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১২ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৮ বার পড়েছেন

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার ধামরাইয়ে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় দুটি ইউনিয়নে দুই জন নিহত হওয়া খবর পাওয়া গেছে। এ সহিংসতায় আহত হয়েছে অন্তত ৩০জন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এসব ঘটনায় পুলিশ সুজন (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় পাওয়াজায়নি।

পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে শুক্রবার ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছে।

ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের বড়াকৈর গ্রামে হামলায় রিফাত রেজওয়ান রাতুল (৩৪) নামে এক যুবক মারা যায়। এসময় আহত হন তারই ছোট ভাই অর্নব। সুয়াপুর ইউনিয়নে কুরঙ্গী গ্রামে দুই মেম্বার প্রার্থীর মধ্যে মারামারিতে নসুর উদ্দিন মোল্লা (৮০) নামে এক বৃদ্ধ মারা যান।

নিহত রাতুল বাবা আব্দুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবসা করেন। রাতে তাকে এলাপাথারী কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এ হত্যাকান্ডের সুষ্ঠ বিচার দাবী করেন।

সাভার মডেল থানার এসআই শহিদুল ইসলাম বলেন, আহত অবস্থায় রাতুলকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই মারা গেছে। আমরা মরদেহ শুধু সুরতহাল করেছি। ঘটনাস্থল ধামরাই থানা এলাকায় হওয়ায় বিস্তারিত ধামরাই থানা পুলিশ বলতে পারবে বলেন তিনি।

নিহত রাতুলের চাচতো ভাই টিপু মিয়া বলেন, রাতুল কুল্লা ইউনিয়নের নৌকার প্রাথী কালিপদ সরকারের সমর্থক ছিল। তার প্রতিদ্বন্দী প্রাথী চশমা প্রতিকের সোলেমান বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি। নির্বাচনে দুই প্রার্থী হেরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী লুৎফর রহমান বিজয়ী হয়। এতে ক্ষুব্ধ পরাজিত সোলেমান মিয়ার সমর্থকদের হামলায় রাতুল মারা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় অনেকেই জানান, ধামরাই উপজেলায় বৃহস্পতিবার ১৫টি ইউনিয়নে সুষ্ঠভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাতে ফল ঘোষনার পরপরই শুরু হয় হামলা সংঘর্ষ ও মারামারি।

এসময় কয়েকটি বাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। এতে আহত হন অন্তত ৩০ জন। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চৌহাট ইউনিয়নের চরচৌহাট এলাকায় রাতেই নৌকা প্রার্থীর সমর্থক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী পারভীন হাসান প্রীতির সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে আহত হয় অনেকে। এছাড়াও রোয়াইল ও সানোড়ায় ইউনিয়নেও সংঘর্ষ হয়েছে এতেও আহত হয়েছে কয়েকজন। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা চলছে।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান. সুয়াপুর ইউনিয়নে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মারামারি ঘটনায় একজন বৃদ্ধ মারা গেছেন। তবে শরীরে কোন আঘাতে চিহ্ন নেই। ধারনা করা হচ্ছে, মারামারি সময় স্ট্রোক করে মারা গেছেন। এছাড়া কুল্লা ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের হামায় রাতুল নামে এক যুবক খুন হয়েছে। তবে ঘটনাটি নির্বাচন পরবর্তী সহিসংতা নাকি অন্য কোন বিষয় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :